Text size A A A
Color C C C C
পাতা

কী সেবা কীভাবে পাবেন

১. জনসাধারণের অভাব-অভিযোগ ঃঅফিস চলাকালীন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার নিকট সরাসরি/টেলিফোনে।

২. বিভাগীয় পরামর্শ প্রদান ঃঅফিস চলাকালীন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা/কর্মচারীর নিকট থেকে সরাসরি/টেলিফোনে।

৩. গবাদি প্রাণি ও হাঁস-মুরগির খামার রেজিষ্ট্রেশন ঃঅফিস চলাকালীন অফিস থেকে।

৪. কৃত্রিম প্রজনন ঃসংশ্লিষ্ট এফ.এ(এ,আই) কর্মীর নিকট থেকে সরাসরি।

৫. প্রাকৃতিক দূর্যোগকালীন অধিদপ্তরের জরুরী সেবা প্রদান ঃসরাসরি অফিস থেকে।

৬. এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা প্রতিরোধে জনসচেতনতা ও সেবা ঃউপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা/ফিল্ডম্যান/এ,আই কর্মীর নিকট থেকে সরাসরি।

৭. প্রাণিসম্পদের উন্নয়নে প্রাণিস্বাস্থ্য সেবা ক্যাম্প ক্যাম্প ঃসংশ্লিষ্ট ভেটেরিনারি ফিল্ড এ্যাসিসটেন্ট এর নিকট থেকে সরাসরি।

৮. গবাদি প্রাণি ও হাঁস-মুরগির টিকা ঃঅফিস চলাকালীন সময় অফিস থেকে।

 

চিকিৎসাঃ সকাল ৯.00 টা থেকে বিকাল ৫.00 টা পর্যন্ত গবাদিপ্রাণি,হাঁস-মুরগী অথবা অন্য কোনপ্রাণী বা পাখী অত্র দপ্তরে নিয়ে আসলে বিনামূল্যে চিকিৎসা দেওয়া হয়।ভেটেরিনারি সার্জনচিকিৎসা সেবা প্রদান করে থাকেন।উল্লেখিত সময়ের পরে নির্ধারিত ফি-র মাধ্যমে বাড়ীতে/খামারে গিয়ে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়।

 

টিকা প্রদানঃ অত্রদপ্তরের তিনজন কর্মচারী যাদের পদবী ভি.এফ.এ বাড়ীতে/খামারে গিয়ে সরকারকর্তৃক নির্ধারিত মূল্যে গবাদিপ্রাণি এবং হাঁস-মুরগীর টিকা প্রদান করেথাকেন।

 

কৃত্রিম প্রজননঃ গাভী/বকনা অত্র দপ্তরে  নিয়ে আসলে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ফি-র মাধ্যমেকৃত্রিম প্রজনন সেবা দেওয়া হয়।যদি কেউ অত্র দপ্তরে গাভী/বকনা না আনতেপারেন সেইক্ষেত্রে বাড়ীতে/খামারে গিয়ে কৃত্রিমপ্রজননসেবা দেওয়া হয়। যিনি উক্ত কাজটি করেন তার পদবী এফ.এ(এ/আই)। এরুপ প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদে প্রাণিসম্পদের জন্য ধার্যকৃত রুমে একই পদবীর এবং স্বেচ্ছাসেবীকৃত্রিম প্রজনন সেবাকর্মীর মাধ্যমেকৃত্রিম প্রজনন সেবা প্রদান করেন।

 

প্রশিক্ষণঃ সরকারী প্রকল্প/এনজিও-র মাধ্যমে পবাদিপ্রাণি এবং হাঁস-মুরগী পালনকারীদেরস্বল্প মেয়াদী প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। ইউএলও এবং ভিএস প্রশিক্ষণ দিয়েথাকেন।

 

অত্র উপজেলাধীন কোথাও কোন প্রাণী অথবা পাখীর(হাঁস-মুরগীসহ অন্যান্য)অস্বাভাবিক মৃত্যুর খবর পেলে সরকারী খরচে আঞ্চলিক প্রাণিরোগ অনুসন্ধানগবেষনাগার, সিরাজগঞ্জ অথবা কেন্দ্রীয় প্রাণিরোগ অনুসন্ধান গবেষনাগার, ৪৮,কাজী আলাউদ্দিন রোড ঢাকায় রোগ নির্নয়ের জন্য পাঠানো হয়।

 

সরকারী আদেশ এবং ঊর্ধ্বতনকর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মোতাবেক যেকোনো সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।